১২:৩২ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬

১৮০ কার্যদিবস ক্ষমতায় থাকার দাবি ভিত্তিহীন: প্রধান উপদেষ্টার উপ-প্রেস সচিব

  • প্রকাশের সময় : ০৬:১০:১৮ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • 98

ঢাকা:

জাতীয় নির্বাচনের পর অন্তর্বর্তী সরকার আরও ১৮০ কার্যদিবস ক্ষমতায় থাকবে—এমন দাবি সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন বলে উড়িয়ে দিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টার উপ-প্রেস সচিব আবুল কালাম আজাদ মজুমদার। তিনি জানিয়েছেন, নির্বাচন শেষে যত দ্রুত সম্ভব নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিদের কাছে রাষ্ট্রীয় দায়িত্ব হস্তান্তর করা হবে।

সম্প্রতি দেওয়া এক বক্তব্যে আবুল কালাম আজাদ মজুমদার বলেন, অন্তর্বর্তী সরকারের ক্ষমতায় থাকার সময়সীমা নিয়ে বিভিন্ন মহলে বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়ানো হচ্ছে, যার বাস্তব কোনো ভিত্তি নেই। এ ধরনের দাবি জনগণের মধ্যে ভুল ধারণা সৃষ্টি করছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

উপ-প্রেস সচিব আরও বলেন, অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান লক্ষ্য হলো একটি অবাধ, সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন আয়োজন করা এবং নির্বাচনের পর সংবিধান ও গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া অনুসরণ করে দ্রুত ক্ষমতা হস্তান্তর নিশ্চিত করা। এ বিষয়ে সরকারের অবস্থান স্পষ্ট ও অটল বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

সংশ্লিষ্ট মহল মনে করছে, নির্বাচন-পরবর্তী সময়কাল নিয়ে নানা গুজব ও রাজনৈতিক আলোচনার মধ্যে সরকারের এই ব্যাখ্যা পরিস্থিতি পরিষ্কার করতে সহায়ক হবে।

সিআরএ নির্বাচনে দপ্তর সম্পাদক পদে মনোনয়ন সংগ্রহ করেছেন সাফায়েত মোরশেদ

১৮০ কার্যদিবস ক্ষমতায় থাকার দাবি ভিত্তিহীন: প্রধান উপদেষ্টার উপ-প্রেস সচিব

প্রকাশের সময় : ০৬:১০:১৮ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

ঢাকা:

জাতীয় নির্বাচনের পর অন্তর্বর্তী সরকার আরও ১৮০ কার্যদিবস ক্ষমতায় থাকবে—এমন দাবি সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন বলে উড়িয়ে দিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টার উপ-প্রেস সচিব আবুল কালাম আজাদ মজুমদার। তিনি জানিয়েছেন, নির্বাচন শেষে যত দ্রুত সম্ভব নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিদের কাছে রাষ্ট্রীয় দায়িত্ব হস্তান্তর করা হবে।

সম্প্রতি দেওয়া এক বক্তব্যে আবুল কালাম আজাদ মজুমদার বলেন, অন্তর্বর্তী সরকারের ক্ষমতায় থাকার সময়সীমা নিয়ে বিভিন্ন মহলে বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়ানো হচ্ছে, যার বাস্তব কোনো ভিত্তি নেই। এ ধরনের দাবি জনগণের মধ্যে ভুল ধারণা সৃষ্টি করছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

উপ-প্রেস সচিব আরও বলেন, অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান লক্ষ্য হলো একটি অবাধ, সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন আয়োজন করা এবং নির্বাচনের পর সংবিধান ও গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া অনুসরণ করে দ্রুত ক্ষমতা হস্তান্তর নিশ্চিত করা। এ বিষয়ে সরকারের অবস্থান স্পষ্ট ও অটল বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

সংশ্লিষ্ট মহল মনে করছে, নির্বাচন-পরবর্তী সময়কাল নিয়ে নানা গুজব ও রাজনৈতিক আলোচনার মধ্যে সরকারের এই ব্যাখ্যা পরিস্থিতি পরিষ্কার করতে সহায়ক হবে।