০৭:৪৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর ২০২৬

সন্ত্রাস দমনে সাহসিকতার স্বীকৃতি, পিপিএম পদকের জন্য ওসি মনিরুল ইসলাম ভূঁইয়া

  • সোহাগ আরেফিন
  • প্রকাশের সময় : ০৪:৪১:৪০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • 32

সন্ত্রাসী গ্রেফতার, দেশি-বিদেশি অস্ত্র ও গুলি উদ্ধার এবং হত্যা মামলার আসামি গ্রেফতারে সাহসিকতার স্বীকৃতি পেয়েছেন পুলিশ পরিদর্শক মনিরুল ইসলাম ভূঁইয়া। এসব কাজের জন্য তাকে পিপিএম সাহসিকতা পদক-২০২৫-এর জন্য চূড়ান্তভাবে নির্বাচিত করা হয়েছে।

জানুয়ারি ২০২৫ থেকে ১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ পর্যন্ত চট্টগ্রামের রাউজান থানা ও কক্সবাজারের রামু থানায় দায়িত্ব পালন করেন মনিরুল ইসলাম ভূঁইয়া। এ সময় তিনি একাধিক গুরুত্বপূর্ণ অভিযানে নেতৃত্ব দেন।

রাউজান থানায় দায়িত্ব পালনকালে নোয়াপাড়া এলাকায় জুমার নামাজের সময় প্রকাশ্যে গুলি করে শুটকি ব্যবসায়ী জাহাঙ্গীর হত্যার ঘটনা ঘটে। এ মামলার প্রধান আসামি ও শীর্ষ সন্ত্রাসী মামুনকে ঝুঁকিপূর্ণ অভিযান চালিয়ে বিদেশি রিভলভারসহ গ্রেফতার করেন তিনি।

এ ছাড়া চট্টগ্রামের শীর্ষ সন্ত্রাসী রায়হানের একাধিক সহযোগীকেও বিদেশি অস্ত্র ও গুলিসহ গ্রেফতার করা হয় তার নেতৃত্বে পরিচালিত অভিযানে। এসব অভিযানে ১২টি বিদেশি অস্ত্র ও প্রায় ৫০০ রাউন্ড বিভিন্ন ধরনের গুলি উদ্ধার করা হয়। প্রায় ১০০টি অস্ত্র উদ্ধারের ঘটনায় করা হয় প্রায় ৩০টি অস্ত্র মামলা।

দায়িত্ব পালনকালে সন্ত্রাসী ও হত্যা মামলার আসামিসহ বিভিন্ন মামলার আসামিদের গ্রেফতারেও ভূমিকা রাখেন মনিরুল ইসলাম ভূঁইয়া। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা এবং সাধারণ মানুষের সঙ্গে পুলিশের দূরত্ব কমিয়ে জনবান্ধব সেবা নিশ্চিত করার ক্ষেত্রেও তিনি কাজ করেন।

ভালো কাজের স্বীকৃতি হিসেবে এর আগে ২০২৪ সালে আইজিপি ব্যাজ পান পুলিশ পরিদর্শক মনিরুল ইসলাম ভূঁইয়া।

সিআরএ নির্বাচনে দপ্তর সম্পাদক পদে মনোনয়ন সংগ্রহ করেছেন সাফায়েত মোরশেদ

সন্ত্রাস দমনে সাহসিকতার স্বীকৃতি, পিপিএম পদকের জন্য ওসি মনিরুল ইসলাম ভূঁইয়া

প্রকাশের সময় : ০৪:৪১:৪০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬

সন্ত্রাসী গ্রেফতার, দেশি-বিদেশি অস্ত্র ও গুলি উদ্ধার এবং হত্যা মামলার আসামি গ্রেফতারে সাহসিকতার স্বীকৃতি পেয়েছেন পুলিশ পরিদর্শক মনিরুল ইসলাম ভূঁইয়া। এসব কাজের জন্য তাকে পিপিএম সাহসিকতা পদক-২০২৫-এর জন্য চূড়ান্তভাবে নির্বাচিত করা হয়েছে।

জানুয়ারি ২০২৫ থেকে ১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ পর্যন্ত চট্টগ্রামের রাউজান থানা ও কক্সবাজারের রামু থানায় দায়িত্ব পালন করেন মনিরুল ইসলাম ভূঁইয়া। এ সময় তিনি একাধিক গুরুত্বপূর্ণ অভিযানে নেতৃত্ব দেন।

রাউজান থানায় দায়িত্ব পালনকালে নোয়াপাড়া এলাকায় জুমার নামাজের সময় প্রকাশ্যে গুলি করে শুটকি ব্যবসায়ী জাহাঙ্গীর হত্যার ঘটনা ঘটে। এ মামলার প্রধান আসামি ও শীর্ষ সন্ত্রাসী মামুনকে ঝুঁকিপূর্ণ অভিযান চালিয়ে বিদেশি রিভলভারসহ গ্রেফতার করেন তিনি।

এ ছাড়া চট্টগ্রামের শীর্ষ সন্ত্রাসী রায়হানের একাধিক সহযোগীকেও বিদেশি অস্ত্র ও গুলিসহ গ্রেফতার করা হয় তার নেতৃত্বে পরিচালিত অভিযানে। এসব অভিযানে ১২টি বিদেশি অস্ত্র ও প্রায় ৫০০ রাউন্ড বিভিন্ন ধরনের গুলি উদ্ধার করা হয়। প্রায় ১০০টি অস্ত্র উদ্ধারের ঘটনায় করা হয় প্রায় ৩০টি অস্ত্র মামলা।

দায়িত্ব পালনকালে সন্ত্রাসী ও হত্যা মামলার আসামিসহ বিভিন্ন মামলার আসামিদের গ্রেফতারেও ভূমিকা রাখেন মনিরুল ইসলাম ভূঁইয়া। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা এবং সাধারণ মানুষের সঙ্গে পুলিশের দূরত্ব কমিয়ে জনবান্ধব সেবা নিশ্চিত করার ক্ষেত্রেও তিনি কাজ করেন।

ভালো কাজের স্বীকৃতি হিসেবে এর আগে ২০২৪ সালে আইজিপি ব্যাজ পান পুলিশ পরিদর্শক মনিরুল ইসলাম ভূঁইয়া।