০৫:৫৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

টিআইবির প্রতিবেদনের বিষয়ে অন্তর্বর্তী সরকারের ব্যাখ্যা

নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার পর থেকে রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মীদের হত্যার সংখ্যা নিয়ে প্রকাশিত ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি)-এর সাম্প্রতিক প্রতিবেদনের বিষয়ে ব্যাখ্যা দিয়েছে অন্তর্বর্তী সরকার।

সরকারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, প্রতিবেদনে উল্লেখিত তথ্য ও পরিসংখ্যান নিয়ে কিছু বিভ্রান্তি সৃষ্টি হয়েছে। সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর প্রাথমিক যাচাই অনুযায়ী, সব ঘটনাই রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত হত্যাকাণ্ড হিসেবে চিহ্নিত নয়; অনেক ঘটনায় ব্যক্তিগত বিরোধ, স্থানীয় দ্বন্দ্ব বা অপরাধমূলক কারণও থাকতে পারে।

সরকার আরও দাবি করেছে, নির্বাচনকালীন সহিংসতা নিয়ন্ত্রণে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সর্বোচ্চ সতর্কতায় কাজ করছে এবং সহিংসতার ঘটনা ঘটলে দ্রুত তদন্ত ও আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। একই সঙ্গে যেকোনো ঘটনার সঠিক তথ্য যাচাই করে জনসাধারণের সামনে উপস্থাপনের ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়েছে।

অন্তর্বর্তী সরকারের সংশ্লিষ্টরা বলেন, নির্বাচনকে শান্তিপূর্ণ ও অংশগ্রহণমূলক রাখতে সকল রাজনৈতিক দল ও নাগরিক সমাজকে দায়িত্বশীল আচরণ করতে হবে। তারা টিআইবিসহ গবেষণা ও পর্যবেক্ষণকারী সংস্থাগুলোর সঙ্গে তথ্য আদান-প্রদান ও সমন্বয়ের মাধ্যমে প্রকৃত চিত্র তুলে ধরার আহ্বান জানান।

এদিকে, টিআইবি তাদের প্রতিবেদনে নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার পর থেকে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মীদের ওপর হামলা ও হত্যার ঘটনা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছিল। বিষয়টি নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গন ও নাগরিক সমাজে আলোচনা চলছে।

জনপ্রিয়

সাংবাদিক উন্নয়ন পরিষদের চট্টগ্রাম বিভাগীয় কমিটি ঘোষণা। সভাপতি কামালসাধারণ সম্পাদক জিয়া

টিআইবির প্রতিবেদনের বিষয়ে অন্তর্বর্তী সরকারের ব্যাখ্যা

প্রকাশের সময় : ০৬:৪৫:১৬ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার পর থেকে রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মীদের হত্যার সংখ্যা নিয়ে প্রকাশিত ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি)-এর সাম্প্রতিক প্রতিবেদনের বিষয়ে ব্যাখ্যা দিয়েছে অন্তর্বর্তী সরকার।

সরকারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, প্রতিবেদনে উল্লেখিত তথ্য ও পরিসংখ্যান নিয়ে কিছু বিভ্রান্তি সৃষ্টি হয়েছে। সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর প্রাথমিক যাচাই অনুযায়ী, সব ঘটনাই রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত হত্যাকাণ্ড হিসেবে চিহ্নিত নয়; অনেক ঘটনায় ব্যক্তিগত বিরোধ, স্থানীয় দ্বন্দ্ব বা অপরাধমূলক কারণও থাকতে পারে।

সরকার আরও দাবি করেছে, নির্বাচনকালীন সহিংসতা নিয়ন্ত্রণে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সর্বোচ্চ সতর্কতায় কাজ করছে এবং সহিংসতার ঘটনা ঘটলে দ্রুত তদন্ত ও আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। একই সঙ্গে যেকোনো ঘটনার সঠিক তথ্য যাচাই করে জনসাধারণের সামনে উপস্থাপনের ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়েছে।

অন্তর্বর্তী সরকারের সংশ্লিষ্টরা বলেন, নির্বাচনকে শান্তিপূর্ণ ও অংশগ্রহণমূলক রাখতে সকল রাজনৈতিক দল ও নাগরিক সমাজকে দায়িত্বশীল আচরণ করতে হবে। তারা টিআইবিসহ গবেষণা ও পর্যবেক্ষণকারী সংস্থাগুলোর সঙ্গে তথ্য আদান-প্রদান ও সমন্বয়ের মাধ্যমে প্রকৃত চিত্র তুলে ধরার আহ্বান জানান।

এদিকে, টিআইবি তাদের প্রতিবেদনে নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার পর থেকে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মীদের ওপর হামলা ও হত্যার ঘটনা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছিল। বিষয়টি নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গন ও নাগরিক সমাজে আলোচনা চলছে।