০৪:২১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৬

চান্দিনায় ভিডিও করায় দুই সাংবাদিককে হাতকড়া! ক্ষমতার প্রয়োগ, নাকি অপব্যবহার?

  • প্রকাশের সময় : ০৭:২৫:৫৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ১ এপ্রিল ২০২৬
  • 27

চান্দিনার একটি ঘটনাকে ঘিরে এখন বড় প্রশ্ন, এটি কি কেবল একটি ভুল বোঝাবুঝি, নাকি ক্ষমতার অপব্যবহারের বাস্তব চিত্র?

ভিডিও ধারণের অভিযোগে দুই সাংবাদিককে হাতকড়া পরিয়ে থানায় নেওয়া, এরপর তাদের মোবাইল থেকে ছবি ও ভিডিও মুছে ফেলার অভিযোগ! ঘটনাটি শুধু একটি প্রশাসনিক পদক্ষেপ নয়, বরং তা সাংবাদিকতার স্বাধীনতা ও নাগরিক অধিকার নিয়ে নতুন করে ভাবতে বাধ্য করছে।

ভুক্তভোগীদের দাবি, তারা একটি নামজারি সংক্রান্ত দীর্ঘসূত্রতার বিষয়ে তথ্য জানতে গিয়ে কর্মকর্তার বিরূপ আচরণের শিকার হন। সেই আচরণের ভিডিও ধারণ করতে গেলে পরিস্থিতি হঠাৎ করেই অন্যদিকে মোড় নেয়। অন্যদিকে, সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তার বক্তব্য—সরকারি কাজে বাধা ও অনুমতি ছাড়া ভিডিও করার কারণেই এই পদক্ষেপ।

এখানেই মূল প্রশ্ন—আইনের প্রয়োগ কি সঠিকভাবে হয়েছে, নাকি দায়িত্বের সীমা অতিক্রম করা হয়েছে?

ঘটনার পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া হাতকড়া পরা ছবিটি জনমনে ক্ষোভ ও উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে। স্থানীয় সাংবাদিক মহলেও দেখা দিয়েছে তীব্র প্রতিক্রিয়া। প্রশাসনের পক্ষ থেকে বিষয়টি খতিয়ে দেখার আশ্বাস মিললেও এখনো স্পষ্ট হয়নি, দায়িত্ব ও ক্ষমতার সীমারেখা কোথায় টানা হবে।

এই ঘটনার গভীরে কি আছে? সত্যিই কি নিয়ম ভঙ্গ হয়েছিল, নাকি সত্য প্রকাশের পথ রুদ্ধ করা হয়েছে—এই প্রশ্নের উত্তর খুঁজতেই এখন সবার দৃষ্টি চান্দিনার দিকে।

ফেসবুক থেকে সংগ্রহ

জনপ্রিয়

জন্মদিনের আলোয় সাহসী এক কলম—কাজী আবুল মনসুরকে নিবেদিত শ্রদ্ধার্ঘ্য-

চান্দিনায় ভিডিও করায় দুই সাংবাদিককে হাতকড়া! ক্ষমতার প্রয়োগ, নাকি অপব্যবহার?

প্রকাশের সময় : ০৭:২৫:৫৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ১ এপ্রিল ২০২৬

চান্দিনার একটি ঘটনাকে ঘিরে এখন বড় প্রশ্ন, এটি কি কেবল একটি ভুল বোঝাবুঝি, নাকি ক্ষমতার অপব্যবহারের বাস্তব চিত্র?

ভিডিও ধারণের অভিযোগে দুই সাংবাদিককে হাতকড়া পরিয়ে থানায় নেওয়া, এরপর তাদের মোবাইল থেকে ছবি ও ভিডিও মুছে ফেলার অভিযোগ! ঘটনাটি শুধু একটি প্রশাসনিক পদক্ষেপ নয়, বরং তা সাংবাদিকতার স্বাধীনতা ও নাগরিক অধিকার নিয়ে নতুন করে ভাবতে বাধ্য করছে।

ভুক্তভোগীদের দাবি, তারা একটি নামজারি সংক্রান্ত দীর্ঘসূত্রতার বিষয়ে তথ্য জানতে গিয়ে কর্মকর্তার বিরূপ আচরণের শিকার হন। সেই আচরণের ভিডিও ধারণ করতে গেলে পরিস্থিতি হঠাৎ করেই অন্যদিকে মোড় নেয়। অন্যদিকে, সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তার বক্তব্য—সরকারি কাজে বাধা ও অনুমতি ছাড়া ভিডিও করার কারণেই এই পদক্ষেপ।

এখানেই মূল প্রশ্ন—আইনের প্রয়োগ কি সঠিকভাবে হয়েছে, নাকি দায়িত্বের সীমা অতিক্রম করা হয়েছে?

ঘটনার পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া হাতকড়া পরা ছবিটি জনমনে ক্ষোভ ও উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে। স্থানীয় সাংবাদিক মহলেও দেখা দিয়েছে তীব্র প্রতিক্রিয়া। প্রশাসনের পক্ষ থেকে বিষয়টি খতিয়ে দেখার আশ্বাস মিললেও এখনো স্পষ্ট হয়নি, দায়িত্ব ও ক্ষমতার সীমারেখা কোথায় টানা হবে।

এই ঘটনার গভীরে কি আছে? সত্যিই কি নিয়ম ভঙ্গ হয়েছিল, নাকি সত্য প্রকাশের পথ রুদ্ধ করা হয়েছে—এই প্রশ্নের উত্তর খুঁজতেই এখন সবার দৃষ্টি চান্দিনার দিকে।

ফেসবুক থেকে সংগ্রহ