স্থানীয়রা জানান, কারখানাটিতে অত্যন্ত অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে আইসক্রিম তৈরি করা হচ্ছে। ব্যবহৃত যন্ত্রপাতি ও ট্রেগুলো জংধরা এবং স্বাস্থ্যবিধি মানার কোনো লক্ষণ নেই। এছাড়া উৎপাদনে বিভিন্ন ক্যামিকেল রাসায়নিক ব্যবহারের অভিযোগও উঠেছে, যা জনস্বাস্থ্যের জন্য মারাত্মক ঝুঁকিপূর্ণ—বিশেষ করে শিশুদের ক্ষেত্রে।
কারখানার মালিক মো: জামালের কাছে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র সম্পর্কে জানতে চাইলে তিনি বলেন আমার সব ধরনের কাগজপত্র রয়েছে। তবে আমার সাথে বি এস টিআইর অফিসের লোকদের সাথে ভালো সম্পর্ক রয়েছে, চট্টগ্রাম ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক বলেন, “অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে খাদ্য উৎপাদন এবং ক্ষতিকর কেমিক্যাল ব্যবহার আইনত দণ্ডনীয় অপরাধ। আমরা অভিযোগ প্রমাণিত হলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।” এর আগেও ২০২৪ সালের মে মাসের ৬ তারিখ সোমবার চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন নিরাপদ খাদ্য কর্মকর্তা মোহাম্মদ বশির আহম্মেদ, নিরাপদ খাদ্য পরিদর্শক ইয়াছিনুল হক চৌধুরী অভিযানে গিয়ে সতর্ক করেন। এ ঘটনায় স্থানীয় সচেতন মহল দ্রুত প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

নিজস্ব প্রতিনিধি 

















