০২:৪০ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৬

চট্টগ্রামের রাশমনি ঘাট নিঝুম পার্কে এক মালিকের বিরুদ্ধে তিন মালিক কে হয়রানির অভিযোগ।

  • প্রকাশের সময় : ১১:০৬:০২ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল ২০২৬
  • 21

পাহাড়তলী রানি রাশমনি ঘাট নিঝুম পার্ক নামীয় একটি প্রজেক্ট কে ঘিরে জায়গার মালিক সেকান্দর মেম্বার এর বিরুদ্ধে উঠে এসেছে নানা অভিযোগ।শহিদুল আলম মামুন ও দুলাল নামে দুইজন ব্যাক্তি সংবাদকর্মীদের জানান। এই জায়গার মালিক আমরা চারজন।সেকান্দর,দুলাল,শ,রফতশহিদুল আলম মামুন।চারজন মিলে২ ০১৩ সালে রেজিস্ট্রাট চুক্তিপত্র করে ব্যাবসা পরিচালনা করতাম। এখানে মোট জমি ছিলো ৯১ একর। জায়গাটির

মূল মালিকঃ- সেকান্দর মেম্বার,
২০১২;সালে সেকান্দর মেম্বার আমাদেরকে উক্ত ব্যাবসার পার্টনার হওয়ার মৌখিক প্রস্তাব দিলে আমি ধাপে ধাপে ৪০লাখ টাকা প্রদান করি। পরবর্তীতে
৫/৭/২০১২ইং। রেজিট্রাট একটি চুক্তিপত্র করি।কিছুদিন পরে তিনি আরেকজন পার্টনার বাহার কে নিয়ে ব্যাবসা করে। বিষয়টি আমি অবগত হইলে বাহার কে আমি আর সেকান্দর মেম্বার মিলে ৭ লক্ষ টাকা প্রদান করি।এর পর আমাদের পাটনার দুলাল থেকেও অনেক টাকা পয়সা নিতো। মামলা চালানোর কথা বলে। কিন্তু কিছুদিন যাবৎ শুনতে পাই এই জায়গাটি সেকান্দর মেম্বার আবারও অন্যদেরকে বিক্রি করে দিছে। আজকে তারা সেখানে দখল করতে এসেছে। এই জায়গায় আমি প্রায় দেড় কোটি টাকা খরচ করে ফেলেছি। দুলালও অনেক টাকা ইনভেস্ট করে ফেলেছেন। আমাদের সাথে বৈঠক না করে কি রকম জায়গা বিক্রি করলো? তারা আরও জানান আমাদের ভাড়াটিয়াদের কে প্রতিনিয়ত হুমকি ধামকি দেওয়া হচ্ছে। সে নাকি বি এন পির অনেক ত্যাগি নেতা। বি এন পির বাম ভাঙ্গিয়ে প্রতিমুহুর্তে হুমকি দিয়ে যাচ্ছে। এতগুলো টাকা ইনভেস্ট করার পর আমরা এভাবে কি করে চলে যাই? তিনি আমাদের সাথে বসে আমাদের ইনভেস্ট করা টাকা ফেরত দিক আমরা চলে যাবো।

জনপ্রিয়

জন্মদিনের আলোয় সাহসী এক কলম—কাজী আবুল মনসুরকে নিবেদিত শ্রদ্ধার্ঘ্য-

চট্টগ্রামের রাশমনি ঘাট নিঝুম পার্কে এক মালিকের বিরুদ্ধে তিন মালিক কে হয়রানির অভিযোগ।

প্রকাশের সময় : ১১:০৬:০২ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল ২০২৬

পাহাড়তলী রানি রাশমনি ঘাট নিঝুম পার্ক নামীয় একটি প্রজেক্ট কে ঘিরে জায়গার মালিক সেকান্দর মেম্বার এর বিরুদ্ধে উঠে এসেছে নানা অভিযোগ।শহিদুল আলম মামুন ও দুলাল নামে দুইজন ব্যাক্তি সংবাদকর্মীদের জানান। এই জায়গার মালিক আমরা চারজন।সেকান্দর,দুলাল,শ,রফতশহিদুল আলম মামুন।চারজন মিলে২ ০১৩ সালে রেজিস্ট্রাট চুক্তিপত্র করে ব্যাবসা পরিচালনা করতাম। এখানে মোট জমি ছিলো ৯১ একর। জায়গাটির

মূল মালিকঃ- সেকান্দর মেম্বার,
২০১২;সালে সেকান্দর মেম্বার আমাদেরকে উক্ত ব্যাবসার পার্টনার হওয়ার মৌখিক প্রস্তাব দিলে আমি ধাপে ধাপে ৪০লাখ টাকা প্রদান করি। পরবর্তীতে
৫/৭/২০১২ইং। রেজিট্রাট একটি চুক্তিপত্র করি।কিছুদিন পরে তিনি আরেকজন পার্টনার বাহার কে নিয়ে ব্যাবসা করে। বিষয়টি আমি অবগত হইলে বাহার কে আমি আর সেকান্দর মেম্বার মিলে ৭ লক্ষ টাকা প্রদান করি।এর পর আমাদের পাটনার দুলাল থেকেও অনেক টাকা পয়সা নিতো। মামলা চালানোর কথা বলে। কিন্তু কিছুদিন যাবৎ শুনতে পাই এই জায়গাটি সেকান্দর মেম্বার আবারও অন্যদেরকে বিক্রি করে দিছে। আজকে তারা সেখানে দখল করতে এসেছে। এই জায়গায় আমি প্রায় দেড় কোটি টাকা খরচ করে ফেলেছি। দুলালও অনেক টাকা ইনভেস্ট করে ফেলেছেন। আমাদের সাথে বৈঠক না করে কি রকম জায়গা বিক্রি করলো? তারা আরও জানান আমাদের ভাড়াটিয়াদের কে প্রতিনিয়ত হুমকি ধামকি দেওয়া হচ্ছে। সে নাকি বি এন পির অনেক ত্যাগি নেতা। বি এন পির বাম ভাঙ্গিয়ে প্রতিমুহুর্তে হুমকি দিয়ে যাচ্ছে। এতগুলো টাকা ইনভেস্ট করার পর আমরা এভাবে কি করে চলে যাই? তিনি আমাদের সাথে বসে আমাদের ইনভেস্ট করা টাকা ফেরত দিক আমরা চলে যাবো।