
বাঁশখালী (চট্টগ্রাম):
শহীদ শরীফ ওসমান হাদী শাহাদাতের আগাম সুসংবাদপ্রাপ্ত ব্যক্তি ছিলেন বলে মন্তব্য করেছেন বাঁশখালী আসনে জামায়াতে ইসলামী মনোনীত সংসদ সদস্য পদপ্রার্থী ও সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান অধ্যক্ষ মাওলানা জহিরুল ইসলাম। শনিবার (২০ ডিসেম্বর) সন্ধ্যায় বাঁশখালী পৌরসভা জামায়াতের উদ্যোগে শহীদ শরীফ ওসমান হাদী স্মরণে আয়োজিত দোয়া মাহফিলে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এই মন্তব্য করেন তিনি। তিনি বলেন, ‘জুলাই বিপ্লবের সম্মুখযোদ্ধা শহীদ শরীফ ওসমান হাদী শাহাদাতের আগাম সুসংবাদপ্রাপ্ত সৌভাগ্যবান ব্যক্তি ছিলেন। তিনি তার শাহাদাতের পর তার দশ মাসের একমাত্র শিশুকে দেখে রাখার নসীহত করে গেছেন। তার শাহাদাতের পর বিচারের দাবিতে সোচ্চার হওয়ার আহবান জানিয়েছিলেন সবার প্রতি।’
প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি আরো বলেন, ‘স্বাধীনতার ৫৪ বছর পরও দেশের মানুষ এখনও প্রকৃত স্বাধীনতার স্বাদ পায়নি। জুলাই বিপ্লবে সহস্রাধিক তরতাজা তরুণের জীবন উৎসর্গের পর পরিবর্তিত বাংলাদেশেও শরীফ ওসমান হাদীর মতো দেশপ্রেমিক তরুণকে গুপ্তহত্যার শিকার হতে হচ্ছে। যা কোনভাবেই মেনে নেয়া যায় না। জুলাই বিপ্লবে তরুণদের আত্মত্যাগকে অনেকেই অস্বীকার করতে শুরু করেছে। জুলাই যোদ্ধাদের অস্বীকার করা মানে নিজের জন্মদাতা পিতা, মাতাকে অস্বীকার করার শামিল। শহীদ ওসমান হাদীর খুনীরা কয়েক ঘন্টার মধ্যেই দেশ ছেড়ে পালিয়েছে। দেশের সীমান্তকে নিরাপত্তার চাদরে আবৃত রাখতে পারলে খুনীরা ওসমান হাদীকে হত্যা করার দুঃসাহস করতে পারতো না। ওসমান হাদীর খুনীদের দেশ ছেড়ে পালানোর দায় কেউ এড়াতে পারে না। আমাদেরকে ওসমান হাদীর রেখে যাওয়া দায়িত্ব অক্ষরে অক্ষরে পালন করার সিদ্ধান্ত নিতে হবে। শহীদ ওসমান হাদীর শাহাদাতের চেতনায় উজ্জীবিত হয়ে নতুন বাংলাদেশকে শোষনমুক্ত, বৈষম্যহীন রাষ্ট্ররূপে গড়ে তুলতে হবে।’
বাঁশখালী পৌরসভা জামায়াতের আমীর অধ্যক্ষ মাওলানা আবু তাহেরের সভাপতিত্বে দোয়া মাহফিলে বিশেষ অতিথি ছিলেন বাঁশখালী উপজেলা জামায়াতের আমীর অধ্যক্ষ মাওলানা ইসমাঈল, সাংগঠনিক সম্পাদক জি এম সাইফুল ইসলাম, মাওলানা শহীদ উল্লাহ প্রমুখ।











