
বাংলাদেশ মফস্বল সাংবাদিক ইউনিয়ন (বিএমইউজে) পর্যটন নগরী কক্সবাজারের সদর উপজেলার ২১ সদস্যের নবগঠিত কমিটি অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। কক্সবাজার সদর উপজেলা শাখার ২০২৬–২০২৭ মেয়াদের জন্য ২১ সদস্যবিশিষ্ট নবগঠিত কমিটির আনুষ্ঠানিক অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। জেলা কমিটির এই সিদ্ধান্তকে কেন্দ্র করে সদর উপজেলার সাংবাদিক মহলে নতুন নেতৃত্ব নিয়ে ইতিবাচক প্রত্যাশা ও প্রাণচাঞ্চল্য লক্ষ্য করা যাচ্ছে।
বৃহস্পতিবার (২২ জানুয়ারি) কক্সবাজার জেলা বাংলাদেশ মফস্বল সাংবাদিক ইউনিয়ন (বিএমইউজে)-এর সভাপতি আব্দুল আলীম নোবেল ও সাধারণ সম্পাদক আলহাজ্ব হাবিবুর রহমান সোহেল স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে সদর উপজেলা শাখার এই কমিটির অনুমোদন প্রদান করা হয়। নবগঠিত কমিটিতে সিরাজুল ইসলাম আজাদ সভাপতি এবং ছৈয়দুল আমিন সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন। দু’জনই দীর্ঘদিন ধরে সাংবাদিকতায় সক্রিয় থেকে পেশাগত দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি সাংবাদিকদের অধিকার ও মর্যাদা রক্ষায় ভূমিকা রেখে আসছেন। তাঁদের নেতৃত্বে সদর উপজেলা বিএমইউজে আরও গতিশীল হবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন সংশ্লিষ্টরা।
দায়িত্বপ্রাপ্ত অন্যান্য নেতৃবৃন্দ
কমিটির অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ পদে দায়িত্ব পেয়েছেন—ওমর ফারুক সোহাগ (সহ-সভাপতি), দৈনিক আপন কণ্ঠের স্টাফ রিপোর্টার;
আরফাত সিকদার (যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক), চ্যানেল A-1;
নুরুল আবছার (সাংগঠনিক সম্পাদক), চ্যানেল এস;
মোহাম্মদ ফরহাদ (সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক), দৈনিক দেশবিদেশের স্টাফ রিপোর্টার;
রুমানা আক্তার (নারী বিষয়ক সম্পাদক), দৈনিক গণসংযোগ;
জামশেদ (অর্থ সম্পাদক), দৈনিক গণসংযোগ।
কার্যনির্বাহী সদস্যদের তালিকা
নবগঠিত কমিটিতে কার্যনির্বাহী সদস্য হিসেবে অন্তর্ভুক্ত রয়েছেন—
হুমায়ুন কবির, কক্সবাজার বুলেটিন;
কামাল হোসেন আবু, কক্সবাজার কণ্ঠ;
নুরুন নবী, এসটিএন নিউজ;
জসিম উদ্দিন, জাতীয় দৈনিক মুক্ত খবর;
স্বপন দে, দৈনিক আপন কণ্ঠ;
ওমর ফারুক, জাতীয় দৈনিক ঘোষণা।
জেলা কমিটির প্রত্যাশা
জেলা বিএমইউজে সূত্র জানায়, সাংবাদিকদের পেশাগত নিরাপত্তা, অধিকার সংরক্ষণ, প্রশিক্ষণ কার্যক্রম জোরদার এবং সাংগঠনিক শৃঙ্খলা বজায় রাখার লক্ষ্যে এই কমিটিকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। জেলা কমিটির সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, আগামী এক বছর ধরে নবগঠিত এই কমিটি কক্সবাজার সদর উপজেলা বিএমইউজে’র সার্বিক সাংগঠনিক কার্যক্রম পরিচালনা করবে।
সাংবাদিক সমাজে প্রতিক্রিয়া
নবগঠিত কমিটির অনুমোদনের খবরে সদর উপজেলার বিভিন্ন গণমাধ্যমকর্মীরা সন্তোষ প্রকাশ করেছেন। অনেকেই আশা করছেন, নতুন নেতৃত্ব সাংবাদিকদের পেশাগত সমস্যার সমাধান, ঐক্য সুদৃঢ়করণ এবং স্থানীয় সাংবাদিকতার মানোন্নয়নে কার্যকর ভূমিকা রাখবে।



















