০৫:৫৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

পাকিস্তানের সঙ্গে উষ্ণ সম্পর্কের ধারাবাহিকতায় ট্রেনের বগি ও মালবাহী ওয়াগন কিনতে আগ্রহী বাংলাদেশ

 

জুলাই অভ্যুত্থানের প্রেক্ষাপটে ক্ষমতায় আসার পর থেকেই পাকিস্তানের সঙ্গে সম্পর্ক উন্নয়নে বিশেষ মনোযোগ দিয়ে আসছে অন্তর্বর্তী সরকার। এর ফলে দুই দেশের মধ্যে কূটনৈতিক সম্পর্ক যেমন উষ্ণ হয়েছে, তেমনি অর্থনৈতিক ও বাণিজ্যিক সহযোগিতাও বেড়েছে। ইতোমধ্যে বিভিন্ন খাতে একাধিক চুক্তি ও সমঝোতা স্বাক্ষর হয়েছে।

এই ধারাবাহিকতায় এবার পাকিস্তান থেকে ট্রেনের বগি ও মালবাহী ওয়াগন কেনার আগ্রহ প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ। সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, রেল খাতে সক্ষমতা বাড়ানো এবং পণ্য পরিবহন ব্যবস্থাকে আরও গতিশীল করতে এমন উদ্যোগ বিবেচনা করা হচ্ছে।

জানা গেছে, বাংলাদেশ রেলওয়ের চলমান অবকাঠামো উন্নয়ন পরিকল্পনার অংশ হিসেবে নতুন বগি ও ওয়াগন সংগ্রহের বিষয়টি গুরুত্ব পাচ্ছে। পাকিস্তানের সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোর সঙ্গে প্রাথমিক পর্যায়ে আলোচনা চলছে বলে সংশ্লিষ্ট মহল জানিয়েছে।

বিশ্লেষকদের মতে, রেল খাতে এ ধরনের সহযোগিতা বাস্তবায়িত হলে দুই দেশের বাণিজ্যিক সম্পর্ক আরও সম্প্রসারিত হবে এবং আঞ্চলিক যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়নেও ইতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে। তবে এ বিষয়ে এখনো চূড়ান্ত কোনো সিদ্ধান্ত বা আনুষ্ঠানিক চুক্তি হয়নি বলে জানা গেছে।

জনপ্রিয়

সাংবাদিক উন্নয়ন পরিষদের চট্টগ্রাম বিভাগীয় কমিটি ঘোষণা। সভাপতি কামালসাধারণ সম্পাদক জিয়া

পাকিস্তানের সঙ্গে উষ্ণ সম্পর্কের ধারাবাহিকতায় ট্রেনের বগি ও মালবাহী ওয়াগন কিনতে আগ্রহী বাংলাদেশ

প্রকাশের সময় : ০৬:৪৮:৪৬ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

 

জুলাই অভ্যুত্থানের প্রেক্ষাপটে ক্ষমতায় আসার পর থেকেই পাকিস্তানের সঙ্গে সম্পর্ক উন্নয়নে বিশেষ মনোযোগ দিয়ে আসছে অন্তর্বর্তী সরকার। এর ফলে দুই দেশের মধ্যে কূটনৈতিক সম্পর্ক যেমন উষ্ণ হয়েছে, তেমনি অর্থনৈতিক ও বাণিজ্যিক সহযোগিতাও বেড়েছে। ইতোমধ্যে বিভিন্ন খাতে একাধিক চুক্তি ও সমঝোতা স্বাক্ষর হয়েছে।

এই ধারাবাহিকতায় এবার পাকিস্তান থেকে ট্রেনের বগি ও মালবাহী ওয়াগন কেনার আগ্রহ প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ। সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, রেল খাতে সক্ষমতা বাড়ানো এবং পণ্য পরিবহন ব্যবস্থাকে আরও গতিশীল করতে এমন উদ্যোগ বিবেচনা করা হচ্ছে।

জানা গেছে, বাংলাদেশ রেলওয়ের চলমান অবকাঠামো উন্নয়ন পরিকল্পনার অংশ হিসেবে নতুন বগি ও ওয়াগন সংগ্রহের বিষয়টি গুরুত্ব পাচ্ছে। পাকিস্তানের সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোর সঙ্গে প্রাথমিক পর্যায়ে আলোচনা চলছে বলে সংশ্লিষ্ট মহল জানিয়েছে।

বিশ্লেষকদের মতে, রেল খাতে এ ধরনের সহযোগিতা বাস্তবায়িত হলে দুই দেশের বাণিজ্যিক সম্পর্ক আরও সম্প্রসারিত হবে এবং আঞ্চলিক যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়নেও ইতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে। তবে এ বিষয়ে এখনো চূড়ান্ত কোনো সিদ্ধান্ত বা আনুষ্ঠানিক চুক্তি হয়নি বলে জানা গেছে।