০৫:৫৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

মাদকবিরোধী অবস্থানে ‘জিরো টলারেন্স: ব্যবসায়ী ধরিয়ে দিলে ১০ হাজার টাকা পুরস্কার ঘোষণা, সভাপতির

  • প্রকাশের সময় : ০৬:৪৩:৪৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • 6

লক্ষীপুর প্রতিনিধি:

লক্ষীপুর জেলার রায়পুর থানার অন্তর্গত ২-নম্বর উত্তর চরবংশী ইউনিয়নে মাদকবিরোধী কঠোর অবস্থান নেওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন স্থানীয় বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) নেতৃবৃন্দ। ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি ফারুক আহমেদ কবিরাজ প্রকাশ্যে মাদকের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি ঘোষণা করে জানিয়েছেন, কোনো মাদক ব্যবসায়ীকে ধরিয়ে দিতে পারলে তাকে ১০ হাজার টাকা পুরস্কার দেওয়া হবে।

তিনি বলেন, মাদক সমাজকে ধ্বংস করছে, তরুণ প্রজন্মকে বিপথে নিয়ে যাচ্ছে এবং পারিবারিক ও সামাজিক স্থিতিশীলতা নষ্ট করছে। তাই মাদক নির্মূলে দলীয় পরিচয়ের ঊর্ধ্বে উঠে সামাজিক দায়িত্ববোধ থেকে সবাইকে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান তিনি।

স্থানীয় সচেতন মহল এই ঘোষণাকে ইতিবাচক পদক্ষেপ হিসেবে দেখলেও বাস্তবে এর কার্যকারিতা কতটুকু হবে, সেটিই এখন দেখার বিষয়। স্থানীয় বাসিন্দাদের মতে, শুধু পুরস্কার ঘোষণা যথেষ্ট নয় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সক্রিয় ভূমিকা, নিয়মিত অভিযান এবং রাজনৈতিক সদিচ্ছা থাকলে তবেই এ উদ্যোগ সফল হতে পারে। অন্যথায় এটি কেবল ঘোষণার মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকার আশঙ্কা রয়েছে।

বিশ্লেষকদের মতে, মাদকবিরোধী লড়াইয়ে রাজনৈতিক ও সামাজিক ঐক্য অত্যন্ত জরুরি। পুরস্কারভিত্তিক তথ্য প্রদান ব্যবস্থা একদিকে সচেতনতা বাড়াতে পারে, তবে তা যেন কোনো নিরপরাধ ব্যক্তির হয়রানির কারণ না হয়, সে দিকেও সতর্ক থাকতে হবে।

এখন সময়ই বলে দেবে ২-নম্বর উত্তর চরবংশী ইউনিয়নে মাদকের বিরুদ্ধে এই ‘জিরো টলারেন্স’ ঘোষণা কতটা বাস্তব ফল বয়ে আনতে সক্ষম হয়। স্থানীয় জনগণও নজর রাখছেন এই উদ্যোগের অগ্রগতির দিকে।

জনপ্রিয়

সাংবাদিক উন্নয়ন পরিষদের চট্টগ্রাম বিভাগীয় কমিটি ঘোষণা। সভাপতি কামালসাধারণ সম্পাদক জিয়া

মাদকবিরোধী অবস্থানে ‘জিরো টলারেন্স: ব্যবসায়ী ধরিয়ে দিলে ১০ হাজার টাকা পুরস্কার ঘোষণা, সভাপতির

প্রকাশের সময় : ০৬:৪৩:৪৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

লক্ষীপুর প্রতিনিধি:

লক্ষীপুর জেলার রায়পুর থানার অন্তর্গত ২-নম্বর উত্তর চরবংশী ইউনিয়নে মাদকবিরোধী কঠোর অবস্থান নেওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন স্থানীয় বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) নেতৃবৃন্দ। ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি ফারুক আহমেদ কবিরাজ প্রকাশ্যে মাদকের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি ঘোষণা করে জানিয়েছেন, কোনো মাদক ব্যবসায়ীকে ধরিয়ে দিতে পারলে তাকে ১০ হাজার টাকা পুরস্কার দেওয়া হবে।

তিনি বলেন, মাদক সমাজকে ধ্বংস করছে, তরুণ প্রজন্মকে বিপথে নিয়ে যাচ্ছে এবং পারিবারিক ও সামাজিক স্থিতিশীলতা নষ্ট করছে। তাই মাদক নির্মূলে দলীয় পরিচয়ের ঊর্ধ্বে উঠে সামাজিক দায়িত্ববোধ থেকে সবাইকে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান তিনি।

স্থানীয় সচেতন মহল এই ঘোষণাকে ইতিবাচক পদক্ষেপ হিসেবে দেখলেও বাস্তবে এর কার্যকারিতা কতটুকু হবে, সেটিই এখন দেখার বিষয়। স্থানীয় বাসিন্দাদের মতে, শুধু পুরস্কার ঘোষণা যথেষ্ট নয় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সক্রিয় ভূমিকা, নিয়মিত অভিযান এবং রাজনৈতিক সদিচ্ছা থাকলে তবেই এ উদ্যোগ সফল হতে পারে। অন্যথায় এটি কেবল ঘোষণার মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকার আশঙ্কা রয়েছে।

বিশ্লেষকদের মতে, মাদকবিরোধী লড়াইয়ে রাজনৈতিক ও সামাজিক ঐক্য অত্যন্ত জরুরি। পুরস্কারভিত্তিক তথ্য প্রদান ব্যবস্থা একদিকে সচেতনতা বাড়াতে পারে, তবে তা যেন কোনো নিরপরাধ ব্যক্তির হয়রানির কারণ না হয়, সে দিকেও সতর্ক থাকতে হবে।

এখন সময়ই বলে দেবে ২-নম্বর উত্তর চরবংশী ইউনিয়নে মাদকের বিরুদ্ধে এই ‘জিরো টলারেন্স’ ঘোষণা কতটা বাস্তব ফল বয়ে আনতে সক্ষম হয়। স্থানীয় জনগণও নজর রাখছেন এই উদ্যোগের অগ্রগতির দিকে।