০৫:৫৬ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৬

জয়পুরহাট হাসপাতালে লিফটে ওঠাকে কেন্দ্র করে থানায় দুই মামলা

জয়পুরহাটে ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালে লিফটে উঠাকে কেন্দ্র করে রোগী স্বজন আরিফ ও হাসপাতালের কর্মচারী শিহাবের কথাকাটাকাটির এক পর্যায়ে মারধরের ঘটনা ঘটে ঘটে। এতে উভয় পক্ষের ৪ জন আহত হয়েছেন। এ ঘটনায় দুই পক্ষের ২ টি মামলা থানায় হয়েছে। এ ঘটনার পর থেকে হাসপাতালের এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছে।

জানাযায়, গত ৭ এপ্রিল জয়পুরহাট সদর উপজেলার নারায়ন পাড়া এলাকার রোগী এরফান আলী তার ছেলে জজ কোর্টের ড্রাইভার আরিফ সহ তার পরিবারের সদস্যরা লিফটের তৃতীয় তলায় যাওয়ার জন্য হাসপাতালের লিফটে উঠেন। এসময় লিফটের দায়িত্বে থাকা অপারেটর শিহাব বলেন কারিগরি ত্রুটির কারনে তৃতীয় তলায় লিফট থামবে না। তারপরও লিফটে রোগী এরফান,তার ছেলে আরিফ সহ অনন্য সদস্যরা লিফটে উঠে পরে। এসময় শিহাব ও আরিফে কথা কাটাকাটির এক পর্যায়ে লিফটের মধ্যেই তাদের ও অন্য রোগীর লোকজনের সাথে মারধরের ঘটনা ঘটে। এতে উভয় পক্ষের ৪ জন আহত হয়। এরপর দুপক্ষই থানায় মামলা করার পর হাসপাতাল ও আদালত পাশাপাশি হওয়ায় এলাকায় চলছে উত্তেজনা।

এরপরে হাসপাতালে কর্মচারীরা কর্মস্থলে নিরাপত্তা ও দ্রুত হাসপাতালের কর্মচারীদের বিরুদ্ধে মামলা প্রতাহার চেয়ে বৃহস্পতিবার ২৫০ শয্যা জয়পুরহাট জেনারেল হাসপাতালের প্রধান ফটকের সামনে মানববন্ধন করেছেন কর্মচারীরা ।
মানববন্ধনে হাসপাতালের কর্মচারীরা বলেন দ্রুত মামলা প্রত্যাহার না করলে তারা কর্মবিরতি সহ পরবর্তীতে কঠোর কর্মসূচির হুঁশিয়ারি দেন মানববন্ধনে।

এ বিষয়ে হাসপাতালের কর্মচারী আব্দুল খালেক, শিরিন শিলা, শিরি খাতুন সহ অনেকে বলেন,হাসপাতালের এভাবে যদি হামলা করে আমাদের নিরাপত্তা না থাকে তাহলে আমরা রোগীদের সেবা কিভাবে দিবো। আমরা চরম নিরাপত্তাহীতায় ভুগতেছি। দ্রুত আমাদের সহকর্মীদের বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলা প্রত্যাহার না করলে আমরা হাসপাতালে কর্মবিরতি সহ বৃহত্তর কর্মসূচির ঘোষণা দেবো।

এ ব্যাপারে হাসপাতালের আহত কর্মচারী শিহাব বলেন, তিন তলার লিফটে বন্ধ বলেছি তার পরও জোর পূর্বক লিফটে ওঠে ড্রাইভার আরিফ ও তার সাথে থাকা লোকজন। এরপর লিফট সাত তলায় যেতে শুরু করলে লিফটের মধ্যে আমাকে মারধর করে এসময় লিফটের অনন্য লোকজন বাধা দেয় এসময় আমার ও লিফটে থাকা সাধারণ রোগীর লোকজনের সাথে হাতাহাতির ঘটনা ঘটে। এরপর বিষয়টি উভয় পক্ষের লোকজন মিমাংসার চেষ্টা করেন। পরে থানায় আমাদের নামে মামলা করেছে। আমরা হাসপাতালের কর্মচারীরা চরম আতংকের মধ্যে আছি।

আহত ড্রাইভার আরিফ হোসেন বলেন,হাসপাতালে রোগীর চিকিৎসা নিতে এসে হাসপাতালের কর্মচারীদের এমন দুঃব্যাবহার ও তাদের হাতে আমরা মারধরের স্বীকার হয়ে রোগী হয়ে গেলাম। তাহলে আমরা যাবো কোথায় আমাদের নিরাপত্তা কোথায়। থানায় আমি মামলা করেছি আমাদের মারধরের সুষ্ঠু বিচারের জন্য। আমি সুষ্ঠু বিচার চাই।

২৫০ শয্যা জয়পুরহাট জেনারেল হাসপাতালের তত্বাবধায়ক সরদার রাশেদ মোবারক বলেন,লিফটের ওঠাকে কেন্দ্র করে হাসপাতালের কর্মচারীর রোগীর স্বজনদের সাথে অনাকাঙ্খিত ঘটনা ঘটেছে। এ বিষয়ে তিন সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। তদন্ত রিপোর্ট পাওয়ার পর প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে।

জয়পুরহাট থানার অফিসার ইনচার্জ নুরে আলম সিদ্দিকী বলেন, হাসপাতালের লিফটে ওঠাকে কেন্দ্র করে দই পক্ষের পৃথক থানায় দুইটি হয়েছে। মামলার তদন্ত চলছে, প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যাবস্থা নেওয়া হবে।
মাছুম মন্ডল,
***জয়পুরহাট হাসপাতালে লিফটে ওঠাকে কেন্দ্র করে থানায় দুই মামলা

জয়পুরহাটে ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালে লিফটে উঠাকে কেন্দ্র করে রোগী স্বজন আরিফ ও হাসপাতালের কর্মচারী শিহাবের কথাকাটাকাটির এক পর্যায়ে মারধরের ঘটনা ঘটে ঘটে। এতে উভয় পক্ষের ৪ জন আহত হয়েছেন। এ ঘটনায় দুই পক্ষের ২ টি মামলা থানায় হয়েছে। এ ঘটনার পর থেকে হাসপাতালের এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছে।

জানাযায়, গত ৭ এপ্রিল জয়পুরহাট সদর উপজেলার নারায়ন পাড়া এলাকার রোগী এরফান আলী তার ছেলে জজ কোর্টের ড্রাইভার আরিফ সহ তার পরিবারের সদস্যরা লিফটের তৃতীয় তলায় যাওয়ার জন্য হাসপাতালের লিফটে উঠেন। এসময় লিফটের দায়িত্বে থাকা অপারেটর শিহাব বলেন কারিগরি ত্রুটির কারনে তৃতীয় তলায় লিফট থামবে না। তারপরও লিফটে রোগী এরফান,তার ছেলে আরিফ সহ অনন্য সদস্যরা লিফটে উঠে পরে। এসময় শিহাব ও আরিফে কথা কাটাকাটির এক পর্যায়ে লিফটের মধ্যেই তাদের ও অন্য রোগীর লোকজনের সাথে মারধরের ঘটনা ঘটে। এতে উভয় পক্ষের ৪ জন আহত হয়। এরপর দুপক্ষই থানায় মামলা করার পর হাসপাতাল ও আদালত পাশাপাশি হওয়ায় এলাকায় চলছে উত্তেজনা।

এরপরে হাসপাতালে কর্মচারীরা কর্মস্থলে নিরাপত্তা ও দ্রুত হাসপাতালের কর্মচারীদের বিরুদ্ধে মামলা প্রতাহার চেয়ে বৃহস্পতিবার ২৫০ শয্যা জয়পুরহাট জেনারেল হাসপাতালের প্রধান ফটকের সামনে মানববন্ধন করেছেন কর্মচারীরা ।
মানববন্ধনে হাসপাতালের কর্মচারীরা বলেন দ্রুত মামলা প্রত্যাহার না করলে তারা কর্মবিরতি সহ পরবর্তীতে কঠোর কর্মসূচির হুঁশিয়ারি দেন মানববন্ধনে।

এ বিষয়ে হাসপাতালের কর্মচারী আব্দুল খালেক, শিরিন শিলা, শিরি খাতুন সহ অনেকে বলেন,হাসপাতালের এভাবে যদি হামলা করে আমাদের নিরাপত্তা না থাকে তাহলে আমরা রোগীদের সেবা কিভাবে দিবো। আমরা চরম নিরাপত্তাহীতায় ভুগতেছি। দ্রুত আমাদের সহকর্মীদের বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলা প্রত্যাহার না করলে আমরা হাসপাতালে কর্মবিরতি সহ বৃহত্তর কর্মসূচির ঘোষণা দেবো।

এ ব্যাপারে হাসপাতালের আহত কর্মচারী শিহাব বলেন, তিন তলার লিফটে বন্ধ বলেছি তার পরও জোর পূর্বক লিফটে ওঠে ড্রাইভার আরিফ ও তার সাথে থাকা লোকজন। এরপর লিফট সাত তলায় যেতে শুরু করলে লিফটের মধ্যে আমাকে মারধর করে এসময় লিফটের অনন্য লোকজন বাধা দেয় এসময় আমার ও লিফটে থাকা সাধারণ রোগীর লোকজনের সাথে হাতাহাতির ঘটনা ঘটে। এরপর বিষয়টি উভয় পক্ষের লোকজন মিমাংসার চেষ্টা করেন। পরে থানায় আমাদের নামে মামলা করেছে। আমরা হাসপাতালের কর্মচারীরা চরম আতংকের মধ্যে আছি।

আহত ড্রাইভার আরিফ হোসেন বলেন,হাসপাতালে রোগীর চিকিৎসা নিতে এসে হাসপাতালের কর্মচারীদের এমন দুঃব্যাবহার ও তাদের হাতে আমরা মারধরের স্বীকার হয়ে রোগী হয়ে গেলাম। তাহলে আমরা যাবো কোথায় আমাদের নিরাপত্তা কোথায়। থানায় আমি মামলা করেছি আমাদের মারধরের সুষ্ঠু বিচারের জন্য। আমি সুষ্ঠু বিচার চাই।

২৫০ শয্যা জয়পুরহাট জেনারেল হাসপাতালের তত্বাবধায়ক সরদার রাশেদ মোবারক বলেন,লিফটের ওঠাকে কেন্দ্র করে হাসপাতালের কর্মচারীর রোগীর স্বজনদের সাথে অনাকাঙ্খিত ঘটনা ঘটেছে। এ বিষয়ে তিন সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। তদন্ত রিপোর্ট পাওয়ার পর প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে।

জয়পুরহাট থানার অফিসার ইনচার্জ নুরে আলম সিদ্দিকী বলেন, হাসপাতালের লিফটে ওঠাকে কেন্দ্র করে দই পক্ষের পৃথক থানায় দুইটি হয়েছে। মামলার তদন্ত চলছে, প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যাবস্থা নেওয়া হবে।

মাছুম মন্ডল,
জয়পুরহাট, প্রতিনিধি,
০১৭৫৯৭৩১৫৩১

জনপ্রিয়

জন্মদিনের আলোয় সাহসী এক কলম—কাজী আবুল মনসুরকে নিবেদিত শ্রদ্ধার্ঘ্য-

জয়পুরহাট হাসপাতালে লিফটে ওঠাকে কেন্দ্র করে থানায় দুই মামলা

প্রকাশের সময় : ০৪:৩৭:১৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১০ এপ্রিল ২০২৬

জয়পুরহাটে ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালে লিফটে উঠাকে কেন্দ্র করে রোগী স্বজন আরিফ ও হাসপাতালের কর্মচারী শিহাবের কথাকাটাকাটির এক পর্যায়ে মারধরের ঘটনা ঘটে ঘটে। এতে উভয় পক্ষের ৪ জন আহত হয়েছেন। এ ঘটনায় দুই পক্ষের ২ টি মামলা থানায় হয়েছে। এ ঘটনার পর থেকে হাসপাতালের এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছে।

জানাযায়, গত ৭ এপ্রিল জয়পুরহাট সদর উপজেলার নারায়ন পাড়া এলাকার রোগী এরফান আলী তার ছেলে জজ কোর্টের ড্রাইভার আরিফ সহ তার পরিবারের সদস্যরা লিফটের তৃতীয় তলায় যাওয়ার জন্য হাসপাতালের লিফটে উঠেন। এসময় লিফটের দায়িত্বে থাকা অপারেটর শিহাব বলেন কারিগরি ত্রুটির কারনে তৃতীয় তলায় লিফট থামবে না। তারপরও লিফটে রোগী এরফান,তার ছেলে আরিফ সহ অনন্য সদস্যরা লিফটে উঠে পরে। এসময় শিহাব ও আরিফে কথা কাটাকাটির এক পর্যায়ে লিফটের মধ্যেই তাদের ও অন্য রোগীর লোকজনের সাথে মারধরের ঘটনা ঘটে। এতে উভয় পক্ষের ৪ জন আহত হয়। এরপর দুপক্ষই থানায় মামলা করার পর হাসপাতাল ও আদালত পাশাপাশি হওয়ায় এলাকায় চলছে উত্তেজনা।

এরপরে হাসপাতালে কর্মচারীরা কর্মস্থলে নিরাপত্তা ও দ্রুত হাসপাতালের কর্মচারীদের বিরুদ্ধে মামলা প্রতাহার চেয়ে বৃহস্পতিবার ২৫০ শয্যা জয়পুরহাট জেনারেল হাসপাতালের প্রধান ফটকের সামনে মানববন্ধন করেছেন কর্মচারীরা ।
মানববন্ধনে হাসপাতালের কর্মচারীরা বলেন দ্রুত মামলা প্রত্যাহার না করলে তারা কর্মবিরতি সহ পরবর্তীতে কঠোর কর্মসূচির হুঁশিয়ারি দেন মানববন্ধনে।

এ বিষয়ে হাসপাতালের কর্মচারী আব্দুল খালেক, শিরিন শিলা, শিরি খাতুন সহ অনেকে বলেন,হাসপাতালের এভাবে যদি হামলা করে আমাদের নিরাপত্তা না থাকে তাহলে আমরা রোগীদের সেবা কিভাবে দিবো। আমরা চরম নিরাপত্তাহীতায় ভুগতেছি। দ্রুত আমাদের সহকর্মীদের বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলা প্রত্যাহার না করলে আমরা হাসপাতালে কর্মবিরতি সহ বৃহত্তর কর্মসূচির ঘোষণা দেবো।

এ ব্যাপারে হাসপাতালের আহত কর্মচারী শিহাব বলেন, তিন তলার লিফটে বন্ধ বলেছি তার পরও জোর পূর্বক লিফটে ওঠে ড্রাইভার আরিফ ও তার সাথে থাকা লোকজন। এরপর লিফট সাত তলায় যেতে শুরু করলে লিফটের মধ্যে আমাকে মারধর করে এসময় লিফটের অনন্য লোকজন বাধা দেয় এসময় আমার ও লিফটে থাকা সাধারণ রোগীর লোকজনের সাথে হাতাহাতির ঘটনা ঘটে। এরপর বিষয়টি উভয় পক্ষের লোকজন মিমাংসার চেষ্টা করেন। পরে থানায় আমাদের নামে মামলা করেছে। আমরা হাসপাতালের কর্মচারীরা চরম আতংকের মধ্যে আছি।

আহত ড্রাইভার আরিফ হোসেন বলেন,হাসপাতালে রোগীর চিকিৎসা নিতে এসে হাসপাতালের কর্মচারীদের এমন দুঃব্যাবহার ও তাদের হাতে আমরা মারধরের স্বীকার হয়ে রোগী হয়ে গেলাম। তাহলে আমরা যাবো কোথায় আমাদের নিরাপত্তা কোথায়। থানায় আমি মামলা করেছি আমাদের মারধরের সুষ্ঠু বিচারের জন্য। আমি সুষ্ঠু বিচার চাই।

২৫০ শয্যা জয়পুরহাট জেনারেল হাসপাতালের তত্বাবধায়ক সরদার রাশেদ মোবারক বলেন,লিফটের ওঠাকে কেন্দ্র করে হাসপাতালের কর্মচারীর রোগীর স্বজনদের সাথে অনাকাঙ্খিত ঘটনা ঘটেছে। এ বিষয়ে তিন সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। তদন্ত রিপোর্ট পাওয়ার পর প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে।

জয়পুরহাট থানার অফিসার ইনচার্জ নুরে আলম সিদ্দিকী বলেন, হাসপাতালের লিফটে ওঠাকে কেন্দ্র করে দই পক্ষের পৃথক থানায় দুইটি হয়েছে। মামলার তদন্ত চলছে, প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যাবস্থা নেওয়া হবে।
মাছুম মন্ডল,
***জয়পুরহাট হাসপাতালে লিফটে ওঠাকে কেন্দ্র করে থানায় দুই মামলা

জয়পুরহাটে ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালে লিফটে উঠাকে কেন্দ্র করে রোগী স্বজন আরিফ ও হাসপাতালের কর্মচারী শিহাবের কথাকাটাকাটির এক পর্যায়ে মারধরের ঘটনা ঘটে ঘটে। এতে উভয় পক্ষের ৪ জন আহত হয়েছেন। এ ঘটনায় দুই পক্ষের ২ টি মামলা থানায় হয়েছে। এ ঘটনার পর থেকে হাসপাতালের এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছে।

জানাযায়, গত ৭ এপ্রিল জয়পুরহাট সদর উপজেলার নারায়ন পাড়া এলাকার রোগী এরফান আলী তার ছেলে জজ কোর্টের ড্রাইভার আরিফ সহ তার পরিবারের সদস্যরা লিফটের তৃতীয় তলায় যাওয়ার জন্য হাসপাতালের লিফটে উঠেন। এসময় লিফটের দায়িত্বে থাকা অপারেটর শিহাব বলেন কারিগরি ত্রুটির কারনে তৃতীয় তলায় লিফট থামবে না। তারপরও লিফটে রোগী এরফান,তার ছেলে আরিফ সহ অনন্য সদস্যরা লিফটে উঠে পরে। এসময় শিহাব ও আরিফে কথা কাটাকাটির এক পর্যায়ে লিফটের মধ্যেই তাদের ও অন্য রোগীর লোকজনের সাথে মারধরের ঘটনা ঘটে। এতে উভয় পক্ষের ৪ জন আহত হয়। এরপর দুপক্ষই থানায় মামলা করার পর হাসপাতাল ও আদালত পাশাপাশি হওয়ায় এলাকায় চলছে উত্তেজনা।

এরপরে হাসপাতালে কর্মচারীরা কর্মস্থলে নিরাপত্তা ও দ্রুত হাসপাতালের কর্মচারীদের বিরুদ্ধে মামলা প্রতাহার চেয়ে বৃহস্পতিবার ২৫০ শয্যা জয়পুরহাট জেনারেল হাসপাতালের প্রধান ফটকের সামনে মানববন্ধন করেছেন কর্মচারীরা ।
মানববন্ধনে হাসপাতালের কর্মচারীরা বলেন দ্রুত মামলা প্রত্যাহার না করলে তারা কর্মবিরতি সহ পরবর্তীতে কঠোর কর্মসূচির হুঁশিয়ারি দেন মানববন্ধনে।

এ বিষয়ে হাসপাতালের কর্মচারী আব্দুল খালেক, শিরিন শিলা, শিরি খাতুন সহ অনেকে বলেন,হাসপাতালের এভাবে যদি হামলা করে আমাদের নিরাপত্তা না থাকে তাহলে আমরা রোগীদের সেবা কিভাবে দিবো। আমরা চরম নিরাপত্তাহীতায় ভুগতেছি। দ্রুত আমাদের সহকর্মীদের বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলা প্রত্যাহার না করলে আমরা হাসপাতালে কর্মবিরতি সহ বৃহত্তর কর্মসূচির ঘোষণা দেবো।

এ ব্যাপারে হাসপাতালের আহত কর্মচারী শিহাব বলেন, তিন তলার লিফটে বন্ধ বলেছি তার পরও জোর পূর্বক লিফটে ওঠে ড্রাইভার আরিফ ও তার সাথে থাকা লোকজন। এরপর লিফট সাত তলায় যেতে শুরু করলে লিফটের মধ্যে আমাকে মারধর করে এসময় লিফটের অনন্য লোকজন বাধা দেয় এসময় আমার ও লিফটে থাকা সাধারণ রোগীর লোকজনের সাথে হাতাহাতির ঘটনা ঘটে। এরপর বিষয়টি উভয় পক্ষের লোকজন মিমাংসার চেষ্টা করেন। পরে থানায় আমাদের নামে মামলা করেছে। আমরা হাসপাতালের কর্মচারীরা চরম আতংকের মধ্যে আছি।

আহত ড্রাইভার আরিফ হোসেন বলেন,হাসপাতালে রোগীর চিকিৎসা নিতে এসে হাসপাতালের কর্মচারীদের এমন দুঃব্যাবহার ও তাদের হাতে আমরা মারধরের স্বীকার হয়ে রোগী হয়ে গেলাম। তাহলে আমরা যাবো কোথায় আমাদের নিরাপত্তা কোথায়। থানায় আমি মামলা করেছি আমাদের মারধরের সুষ্ঠু বিচারের জন্য। আমি সুষ্ঠু বিচার চাই।

২৫০ শয্যা জয়পুরহাট জেনারেল হাসপাতালের তত্বাবধায়ক সরদার রাশেদ মোবারক বলেন,লিফটের ওঠাকে কেন্দ্র করে হাসপাতালের কর্মচারীর রোগীর স্বজনদের সাথে অনাকাঙ্খিত ঘটনা ঘটেছে। এ বিষয়ে তিন সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। তদন্ত রিপোর্ট পাওয়ার পর প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে।

জয়পুরহাট থানার অফিসার ইনচার্জ নুরে আলম সিদ্দিকী বলেন, হাসপাতালের লিফটে ওঠাকে কেন্দ্র করে দই পক্ষের পৃথক থানায় দুইটি হয়েছে। মামলার তদন্ত চলছে, প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যাবস্থা নেওয়া হবে।

মাছুম মন্ডল,
জয়পুরহাট, প্রতিনিধি,
০১৭৫৯৭৩১৫৩১