০৪:১০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১১ জুন ২০২৬

চরবংশী জি এম শামিমের জনপ্রিয়তার প্রমাণ, ছাত্রদলের মিছিলে কর্মীদের স্বতঃস্ফূর্ত উপস্থিতি

  • প্রকাশের সময় : ০৮:৫৬:৩৭ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৫ মার্চ ২০২৬
  • 121

 

দীর্ঘদিন ধরে রাজনীতি থেকে দূরে সরিয়ে রাখার নানা চেষ্টা করা হলেও থামিয়ে রাখা যায়নি তৃণমূলের আস্থাভাজন নেতা, লক্ষীপুর জেলার রায়পুর উপজেলা কৃষক দলের সদস্য সচিব জি এম শামিমকে।
সম্প্রতি ছাত্রদলের এক মিছিলে তার অনুসারী ও সমর্থকদের স্বতঃস্ফূর্ত উপস্থিতি প্রমাণ করে দিয়েছে, মাঠের রাজনীতিতে শামিম এখনো কতটা জনপ্রিয় এবং গ্রহণযোগ্য।

স্থানীয় রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মতে, জনপ্রিয় নেতাকে সাময়িকভাবে আড়ালে রাখা গেলেও কর্মীদের হৃদয় থেকে মুছে ফেলা যায় না। জি এম শামিমের প্রতি তৃণমূলের নেতাকর্মীদের ভালোবাসা ও আস্থা আবারও প্রকাশ পেয়েছে এই উপস্থিতির মাধ্যমে।

রাজনৈতিক অঙ্গনে অনেকেই মনে করছেন, এটি শুধু একটি মিছিলে অংশগ্রহণ নয়; বরং এটি ছিল কর্মীদের পক্ষ থেকে তাদের প্রিয় নেতার প্রতি ভালোবাসা, সমর্থন এবং অবস্থানের প্রকাশ।
এতে স্পষ্ট হয়েছে, ত্যাগী ও পরীক্ষিত নেতৃত্বকে চাইলেই নিষ্ক্রিয় করে রাখা যায় না।

একাধিক নেতাকর্মী বলেন,
“বাঘ দুর্দিনে পড়লেও ডাস্টবিনে মুখ দেয় না, এই কথার বাস্তব প্রতিফলন দেখা গেছে জি এম শামিমের রাজনৈতিক অবস্থানে।
কারণ, আত্মমর্যাদাবোধসম্পন্ন নেতা কখনোই আপসকামিতার রাজনীতিতে বিশ্বাসী নন; বরং সময় এলেই তিনি নিজের শক্ত অবস্থান জানান দেন।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের ভাষ্য, রায়পুরের মাঠের রাজনীতিতে জি এম শামিম এখনো একটি গুরুত্বপূর্ণ নাম।
তার প্রতি কর্মীদের এই স্বতঃস্ফূর্ত সমর্থন ভবিষ্যৎ রাজনৈতিক সমীকরণে নতুন বার্তা দিচ্ছে বলেও মনে করছেন অনেকে।

আলোর দিশারি পাটোয়ার নাংগলকোট কর্তৃক আয়োজিত  রচনা প্রতিযোগিতা ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত।

চরবংশী জি এম শামিমের জনপ্রিয়তার প্রমাণ, ছাত্রদলের মিছিলে কর্মীদের স্বতঃস্ফূর্ত উপস্থিতি

প্রকাশের সময় : ০৮:৫৬:৩৭ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৫ মার্চ ২০২৬

 

দীর্ঘদিন ধরে রাজনীতি থেকে দূরে সরিয়ে রাখার নানা চেষ্টা করা হলেও থামিয়ে রাখা যায়নি তৃণমূলের আস্থাভাজন নেতা, লক্ষীপুর জেলার রায়পুর উপজেলা কৃষক দলের সদস্য সচিব জি এম শামিমকে।
সম্প্রতি ছাত্রদলের এক মিছিলে তার অনুসারী ও সমর্থকদের স্বতঃস্ফূর্ত উপস্থিতি প্রমাণ করে দিয়েছে, মাঠের রাজনীতিতে শামিম এখনো কতটা জনপ্রিয় এবং গ্রহণযোগ্য।

স্থানীয় রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মতে, জনপ্রিয় নেতাকে সাময়িকভাবে আড়ালে রাখা গেলেও কর্মীদের হৃদয় থেকে মুছে ফেলা যায় না। জি এম শামিমের প্রতি তৃণমূলের নেতাকর্মীদের ভালোবাসা ও আস্থা আবারও প্রকাশ পেয়েছে এই উপস্থিতির মাধ্যমে।

রাজনৈতিক অঙ্গনে অনেকেই মনে করছেন, এটি শুধু একটি মিছিলে অংশগ্রহণ নয়; বরং এটি ছিল কর্মীদের পক্ষ থেকে তাদের প্রিয় নেতার প্রতি ভালোবাসা, সমর্থন এবং অবস্থানের প্রকাশ।
এতে স্পষ্ট হয়েছে, ত্যাগী ও পরীক্ষিত নেতৃত্বকে চাইলেই নিষ্ক্রিয় করে রাখা যায় না।

একাধিক নেতাকর্মী বলেন,
“বাঘ দুর্দিনে পড়লেও ডাস্টবিনে মুখ দেয় না, এই কথার বাস্তব প্রতিফলন দেখা গেছে জি এম শামিমের রাজনৈতিক অবস্থানে।
কারণ, আত্মমর্যাদাবোধসম্পন্ন নেতা কখনোই আপসকামিতার রাজনীতিতে বিশ্বাসী নন; বরং সময় এলেই তিনি নিজের শক্ত অবস্থান জানান দেন।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের ভাষ্য, রায়পুরের মাঠের রাজনীতিতে জি এম শামিম এখনো একটি গুরুত্বপূর্ণ নাম।
তার প্রতি কর্মীদের এই স্বতঃস্ফূর্ত সমর্থন ভবিষ্যৎ রাজনৈতিক সমীকরণে নতুন বার্তা দিচ্ছে বলেও মনে করছেন অনেকে।