
কক্সবাজারে গৃহবধূর বাসায় হামলা ও লুটপাট: আসামি অধরা, ‘কার ক্ষমতায় বেপরোয়া’ তা নিয়ে প্রশ্ন
কক্সবাজার: ২০ জুলাই ২০২৬ তারিখে নোয়া বাজার পূর্ব সাতঘড়িয়া পাড়ার বাসিন্দা ও যুবলীগ নেতা ওয়াহিদ এবং তার বড় ভাই আব্দুর রশিদের বিরুদ্ধে কক্সবাজারের কলেজ পাড়া এলাকায় এক গৃহবধূর ভাড়া বাসায় হামলার অভিযোগ উঠেছে।
ঘটনার প্রধান বিষয়াবলি:
হামলা ও লুটপাট: অভিযুক্তরা কক্সবাজারের কলেজ পাড়া এলাকায় সানজিদা নামের এক গৃহবধূর ভাড়া বাসায় হামলা চালায়। এ সময় তারা বাসা থেকে একটি স্বর্ণের চেইন এবং নগদ টাকা লুট করে নিয়ে যায়।
মাদক ও অন্যান্য অভিযোগ: অভিযুক্ত যুবলীগ নেতা ওয়াহিদের বিরুদ্ধে একাধিক অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের অভিযোগ রয়েছে। একটি প্রাপ্ত অডিও রেকর্ডে ইয়াবা পাচারের কৌশল সংক্রান্ত আলোচনা শোনা গেছে, যেখানে ওয়াহিদের পাশাপাশি তার স্ত্রী রেশমি আক্তার জড়িত বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।
ভুয়া পরিচয়ে হুমকি: ভুক্তভোগী সানজিদার স্বামীকে 01320740*** নম্বর থেকে ফোন দিয়ে নিজেকে ‘চট্টগ্রামের অ্যাডিশনাল এসপি’ পরিচয় দিয়ে হুমকি দেওয়া হয়। এনআইডি (NID) তথ্যানুযায়ী, উক্ত সিমটি পাবনার বাসিন্দা জাহিদ নামের এক শ্রমিকের নামে নিবন্ধিত, যার শিক্ষাগত যোগ্যতা পঞ্চম শ্রেণি।
পুলিশের ভূমিকা ও স্থানীয়দের প্রশ্ন:
ঘটনার দিনই ভুক্তভোগী নারী জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এ ফোন করে পুলিশের সহযোগিতা চান। তবে ঘটনার পর বেশ কিছুদিন পার হয়ে গেলেও অভিযুক্তরা এখনও ধরাছোঁয়ার বাইরেই থেকে গেছে।
অভিযুক্ত ওয়াহিদের নম্বর বন্ধ থাকায় তার বক্তব্য পাওয়া যায়নি। অন্যদিকে ঘটনার বিষয়ে কক্সবাজার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার (ওসি) সাথে মুঠোফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাকে পাওয়া যায়নি।
জরুরি সেবায় ফোন দেওয়া সত্ত্বেও কোনো সুরাহা না হওয়া এবং অপরাধীরা প্রকাশ্যে ঘুরে বেড়ানোয় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন ভুক্তভোগী পরিবার ও স্থানীয়রা। তাদের প্রশ্ন—সব জেনেও প্রশাসন কেন নিষ্ক্রিয়, আর সাবেক সরকারের এই কর্মীরা কার শক্তিতে এখনও এতটা বেপরোয়া আচরণ চালিয়ে যাচ্ছে?

রোকনউদ্দিন জয় 





















