
:::পরিকল্পিত উপায়ে তেলের কৃত্তিম সংকট সৃষ্টি করেছে আওয়ামীপন্থী কিছু ব্যবসায়ী নামক দুর্বৃত্ত!:::
** ‘বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম ডিলার্স, ডিস্ট্রিবিউটরস, এজেন্ট অ্যান্ড পেট্রোল পাম্প ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন’ নামধারী একটি অনিবন্ধিত সংগঠনের নেতা সৈয়দ সাজ্জাদুল করিম কাবুল এবং মিজানুর রহমান রতন আজ গণমাধ্যমে দাবি করেছেন—তারা নাকি পে-অর্ডার করতে না পারায় তেল তুলতে পারছেন না। মূলত এটি তাদের একটি সাজানো নাটক ছাড়া আর কিছুই নয়!
প্রকৃত সত্য হলো: গত বছরের তুলনায় দেশে প্রায় ২৫ শতাংশ বেশি জ্বালানি তেল আমদানি করা হচ্ছে। ফলে সরবরাহ নিয়ে উদ্বিগ্ন হওয়ার কোনো কারণ নেই। ঈদ উপলক্ষ্যে দুদিন সরবরাহ কার্যক্রম বন্ধ থাকায় কিছু চাপ তৈরি হয়েছিল। এখন আবার পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়েছে।
তবে ঈদের ছুটির এই সময়ে জনগণের মাঝে ভীতি তৈরী করতে “জ্বালানি ঘাটতি ও নিরাপত্তাহীনতার” দোহাই দিয়ে ‘যে কোনো সময় দেশের সব পেট্রোল পাম্প বন্ধ হয়ে যাওয়ার শঙ্কা তৈরি হয়েছে’ বলে দাবি করেছে বাংলাদেশ পেট্রোল পাম্প ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন নামের সংগঠনটি।
তাদের ইন্ধনে ডিপো ভরা তেল থাকলেও পাম্পে গেলে শুনতে হচ্ছে ‘সাপ্লাই নেই’! স্বার্থান্বেষী এই গোষ্ঠী সাধারণ মানুষকে জিম্মি করে নিজেদের আখের গোছাতে এবং সরকারকে বিব্রত করতে মাঠে নেমেছে।
আসল সত্য হলো, দেশের প্রতিটি ডিপোতে পর্যাপ্ত তেল মজুদ আছে। কিন্তু এই সিন্ডিকেট ইচ্ছাকৃতভাবে তেল তোলা বন্ধ রেখে; বাজারে কৃত্রিম সংকট তৈরি করছে। ২০০৩ সালে শৃঙ্খলা ভঙ্গের দায়ে বহিষ্কৃত এক নেতা এবং বগুড়া আওয়ামী লীগের এক নেতার ব্যক্তিগত ও রাজনৈতিক উচ্চাকাঙ্ক্ষার বলি হচ্ছে সাধারণ মানুষ।
ফুটনোট: বাজারে তেলের কোনো অভাব নেই, কৃত্তিম অভাব তৈরী করেছে অসাধু সিন্ডিকেট। প্যানিকড হবেন না। সরকারের উচিত হবে এই অসাধু সিন্ডিকেটের বিরুদ্ধে দ্রুত ব্যবস্থা নেয়া।
————————
সাংবাদিক মনজুর মোর্শেদ
২৪ মার্চ, ২০২৬

মনজুর মোর্শেদ 





















